মেয়র মাহফুজের প্রচেষ্টায় ফরিদগঞ্জ পৌর সদরের ভাঙ্গা রাস্তা দেখছে আলোরমুখ

গাজী মমিন: ফরিদগঞ্জ পৌরবাজারের এক নম্বর দুঃখের নাম ‘রাস্তা’। বাজারকে কেন্দ্র করে আশেপাশে বসবাসকারী ও আগত জনগণকে জিজ্ঞেস করলে এমন উত্তরই আসছিলো। খানা-খন্দকে ভরা রাস্তার কারণে জনসাধারণ বাজারমুখী হতে পারতো না। বর্ষাকালে বিশাল গর্তে পানি জমে চিৎকাত হতো যানবাহন। অবশেষে ফরিদগঞ্জ পৌর সদরের ভাঙ্গা রাস্তা আলোরমুখ দেখছে। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে গত ২০-এ জুলাই। সূত্র জানিয়েছে, ফরিদগঞ্জ ওয়াপদা অফিস এর দক্ষিণ কর্ণার থেকে উপজেলা ভূমি অফিস পর্যন্ত ৮২৮ মিটার (২৭১৪ ফিট) রাস্তা ছিলো সম্পূর্ণ ভাঙ্গাচোরা।

অন্যদিকে, স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড থেকে বাজার অভিমুখী লিংক রোডের ছিলো করুন অবস্থা। যান ও জন চলাচল করতে না পারায় একান্ত বিপদে না পড়লে জনগণ বাজারমুখী হতে চাইতো না। ফলে, বেচাকেনায় ধ্বস নামে বহু ব্যবসায়ীর- জানিয়েছেন বাজারের ব্যবসায়ীগণ। পাশাপাশি, ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ৯৫ মিটার (৩১১ ফিট) রাস্তারও ছিলো একই অবস্থা।

অবশেষে, গত ২০-এ জুন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে রাস্তার কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে ওয়াপদার কর্ণার থেকে স্থানীয় শাহী রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত এক অংশের কাজ সমাপ্ত করা যাবে বলে উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুন্নবী জানিয়েছেন। এ অংশের দৈর্ঘ্য ৩৬০ মিটার (১১৮০ ফিট) ও প্রস্থ ১৮ ফিট। কয়েকদিন বিরতির পর, শাহী রেস্টুরেন্ট থেকে ভূমি অফিস অভিমুখে বাজারের অপর অংশের কাজ শুরু হবে। বর্তমানে একই সঙ্গে লিংক রোডের কাজও চলছে।

এরপরবই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের রাস্তার কাজ শুরু হয়ে কয়েক দিনের মধ্যে টানা শেষ করতে পারবেন বলে প্রকৌশলী জানিয়েছেন। রাস্তার কাজ চলাকালে ফরিদগঞ্জ পৌর মেয়র মাহফুজুল হক অধিকাংশ সময়ই নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তদারকি করেন। তিনি পৌরবাসি ও দূর দুরান্ত থেকে আগত জনসাধারণের উদ্যেশ্যে বলেছেন, রাস্তার কাজ চলাকালীন সংশ্লিষ্ট অংশ টুকুতে প্রয়োজনহেতু যান চলাচল বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তিনি এ জন্য সকলের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, বৃহত্তর স্বার্থে এটুকু কষ্ট মেনে নিতে হবে। উল্লেখ্য, বাজারের দুই অংশ, লিংক রোড ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সম্পূর্ণ রাস্তার প্রাক্কলন ব্যয় এক কোটি পঁচানব্বই লাখ টাকা। এর ঠিকাদার হচ্ছেন আবুল খায়ের পাটওয়ারী।


দেশজুড়ে