বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে ফেরৎ এলো পাচার হওয়া ছয় কিশোরী

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: দেশের বিভিন্ন জেলা হতে ভারতে পাচার হওয়া ৬ কিশোরীকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশের কাছে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ।

ফেরত আসা তরুণীরা হলেন- নরাইল জেলার নরাইল সদর মির্জাপুর গ্রামের বাবলু শেখের মেয়ে আয়েশা খাতুন (১৭), খুলনা জেলা সদরের বাঘমাড়াই গ্রামের মহারাজ মির্জার মেয়ে মায়ালাকি(২৫), পটুয়াখালী জেলার কোলাপাড়া উপজেলার তোলাতুলি গ্রামের কালাম গাজী মেয়ে শারমিন (২৬), খাগরাছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বলিন্দ্রপাড়া গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে পাখিশেখ,বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার ডাবরা গ্রামের ইউসুফ শেখের মেয়ে মনিরা শেখ,যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আছর আলী মোল্লার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন।

জানা যায়, ভারতে পাচার হওয়া বাংলাদেশী ৬ কিশোরী ইমপালস এনজিও নেটওয়ার্ক, শিলং, ভারত কর্তৃক উদ্ধার করে। পরবর্তীতে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র, চেন্নায়,ভারতে হস্তান্তর করা হয়। গত ১৫ জুন বাংলাদেশী কিশোরীদের এনজিও কর্তৃক সকলকে স্বদেশ প্রত্যাবাসনের জন্য চেন্নায় হতে শিলিগুড়ি ভারতে নিয়ে আসা হয়। এসময় পঞ্চগড় ব্যাটেলিয়ান (১৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে.কর্নেল মোহাম্মদ এরশাদুল হক এবং বিএসএফ ৫১ এর কমান্ড্যান্ট শ্রী কে উমেশ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অফিসার ইনচার্জ বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন পুলিশ, তেতুলিয়া মডেল থানা ওসি, বাংলাবান্ধা বিওপি কমান্ডার, বাংলাবান্ধা কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছয়জন মেয়ে ভারতের শেল্টার হোমে ছিল। ভারতের ইমপালস এনজিও ও বাংলাদেশের ব্র্যাকের কোয়ার্ডিভিশনের মাধ্যমে এবং বিজিবি- বিএসএফের সমন্নয় করে বাংলাবান্ধা বর্ডারে কিশোরীদের গ্রহন করা হয়। আইন ও স্বাস্থ্যগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের বৈধ অভিভাবক গনের নিকট হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ সংক্রান্ত কোন যদি মামলা মোকদ্দমা হয় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হবে।


আন্তর্জাতিক