পীরগঞ্জে ৩ নং খনগাঁও ইউনিয়নে ধান ক্রয় লটারির নামে বাণিজ্য

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গত সোমবার বিকালে ৩নং খনগাঁও ইউনিয়নে কৃষকদের ধান ক্রয় লটারি হয়েছে বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃকাউছার আলী ডাবলু যোগসাজশে বাছাই কমিটির সদস্য উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার ও সহকারী শিক্ষা অফিসার এনামুল হক প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে নিজস্ব কৃষক নামক ব্যাক্তিদের নিয়ে লটারির আয়োজন করে।লটারিতে ১৬০ জনের নাম উঠলে সে সময় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের লোকজন প্রতি কার্ডে ৩৩০০ টাকা বিনিময়ে লটারির কার্ড হাতিয়ে নেন।সে সময় প্রকৃত ধান চাষি কৃষকের তালিকায় ঘোষা মাজা করে ও ত্রুটি দেখিয়ে তাদের কে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে।ইউনিয়ন মাঠে লটারির কার্ড করে টাকার ছড়া ছড়ি দেখা যায়।টাকার ছড়াছড়ি তথ্য ও ভিডিও করতে গেলে সাংবাদিকের উপর তেড়ে যায় কার্ড ক্রয়ের লোকজন। এ বিষয়ে দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃবাবলু জানায় আমি লটারির সময় ছিলাম না তালিকার কথা জানতে চাইলে ঔ চেয়ারম্যানের নিকট থেকে জানতে বলেন লটারির বাছাই কমিটির সদস্য একাডেমি সুপারভাইজার জহিরুল ও সহ শিক্ষা অফিসার এনামুল হকের নিকট জানতে চাইলে তিনারা এড়িয়ে যান।ইউপি চেয়ারম্যান কাওছার আলী ডাবলু জানায় বাইরে কার্ডের বাণিজ্য হচ্ছে ৩৩০০ টাকায়। আমাকে কমিশন দিয়েছে এ পর্যন্তই সব ইউনিয়ন এলাকায় যেভাবে হয়েছে লটারি এখানও তাই ওভাব। উপজেলা কৃষি বিদ ওকর্মকর্তা সারোয়ারের নিকট জানার চেষ্টা করা হলে তিনাকে পাওয়া যায় নি।


অন্যান্য